
রাজ্য অ্যাথলেটিক সংস্থার নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক, নয়া ক্রীড়া আইনেই কি ভোট?
রাজ্য অ্যাথলেটিক সংস্থার ৩০ আগস্টের নির্বাচন নতুন ক্রীড়া আইন অনুসরণ করবে কি, নাকি পুরনো নিয়মে চলবে, তা নিয়ে ক্রীড়া মহলে তীব্র বিতর্ক গড়ে উঠেছে। সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে সংস্থার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে।
বাবান আদক, কলকাতা — পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া জগতে আজকাল একটি তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে আছে। রাজ্য অ্যাথলেটিক সংস্থার (WBAA) আগামী ৩০ আগস্টের নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন গোষ্ঠী কঠোর বিতর্কে লিপ্ত। কেউ দাবি করে, নতুন ক্রীড়া আইন অনুসারে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বদলে যাবে, আবার অন্যরা পুরনো নিয়মে নির্বাচন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে সুর তুলছে।
বঙ্গ ক্রীড়া মহলের প্রাক্তন সদস্যদের মতে, নতুন আইন অনুযায়ী নির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকায় নির্দিষ্ট যোগ্যতা মানদণ্ড যুক্ত করা হয়েছে, যা আগে ছিল না। এই পরিবর্তনগুলোকে কিছু লোক স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার বাড়ানোর পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়ে, তবে অন্যরা বলছে, এতে ক্রীড়া সংস্থার স্বায়ত্তশাসন ক্ষুন্ন হবে এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বাড়বে।
অন্যদিকে, নির্বাচনী কমিটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সমাধান চাচ্ছে। প্রথমত, ভোটদান পদ্ধতি ডিজিটাল হবে না কি ঐতিহ্যবাহী পেপার পদ্ধতিই থাকবে, এবং দ্বিতীয়ত, ভোটার তালিকায় নতুন নাম যুক্ত করার সময়সীমা কীভাবে নির্ধারিত হবে। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত সংস্থার অভ্যন্তরে অবিশ্বাসের ঢেউ বাড়তেই থাকবে।
উপসংহারে বলা যায়, রাজ্য অ্যাথলেটিক সংস্থার নির্বাচন শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া সংস্থার নেতৃত্ব পরিবর্তন নয়; এটি নতুন আইনকে বাস্তবায়নের পরীক্ষা ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়াবে। যদি নির্বাচন স্বচ্ছ ও ন্যায্যভাবে সম্পন্ন হয়, তবে ভবিষ্যতে ক্রীড়া খাতে সংস্কার এবং উন্নয়নের সঠিক দিক নির্ধারণে সহায়ক হবে। তবে যদি বিতর্কের গতি অব্যাহত থাকে, তবে সংস্থার কাজকর্মে ব্যাঘাতের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।




