
অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত! ভারত‑নেপাল সীমান্তে বাধ্যতামূলক হল ফেস রিকগনিশন‑বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিং
বিহারের ভারত‑নেপাল সীমান্তে ফেস রিকগনিশন ও বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি অনুপ্রবেশ রোধে সহায়ক হবে, তবে গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগও উত্থাপিত হয়েছে।
বিহারের ভারত‑নেপাল সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টগুলোতে এখন থেকে ফেস রিকগনিশন ও বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পূর্বে শুধু পরিচয়পত্র দেখিয়ে সীমান্ত পার হওয়া যেত, তবে নতুন নিয়মে সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ডিজিটাল প্রযুক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য সীমান্তে অনুপ্রবেশের ঝুঁকি হ্রাস করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা।
গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার এই উদ্যোগের পেছনে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার সুপারিশ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে। ফেস রিকগনিশন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেক যাত্রীর মুখমণ্ডল রিয়েল‑টাইমে যাচাই করা হবে, আর বায়োমেট্রিক ডেটা গড়ে তোলা হবে পাসপোর্ট বা ভিসার সাথে মিলিয়ে। এতে না শুধুমাত্র অবৈধ প্রবেশ বন্ধ হবে, বরং বৈধ ভ্রমণকারীর পরিচয় নিশ্চিত করেও প্রক্রিয়ার গতি বাড়বে।
প্রয়োগের প্রথম পর্যায়ে বিহারের সাতটি প্রধান চেকপোস্টে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। স্থানীয় পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী সংস্থা নতুন সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। যাত্রীদের থেকে এখন থেকে ফেস স্ক্যান ও আঙুলের ছাপ জমা দিতে বলা হবে, অন্যথায় প্রবেশের অনুমতি না দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রযুক্তিগত সুরক্ষা ব্যবস্থা অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে, তবে গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্নও উত্থাপন করবে। তাই সরকারকে তথ্য সুরক্ষায় কঠোর নিয়মাবলি তৈরি করে নাগরিকের অধিকার রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।
সার্বিকভাবে, ফেস রিকগনিশন‑বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিংয়ের বাধ্যতামূলক প্রয়োগ সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি বৈধ ভ্রমণকে সহজতর করবে বলে আশা করা যায়।




