এএমসিএ প্রকল্পে নতুন মোড়, জিই ইঞ্জিনের উচ্চ খরচে প্রস্তুত পরিকল্পনা বি
business1 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

এএমসিএ প্রকল্পে নতুন মোড়, জিই ইঞ্জিনের উচ্চ খরচে প্রস্তুত পরিকল্পনা বি

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

এএমসিএ প্রকল্পে জিই ইঞ্জিনের উচ্চ খরচকে মুখে রেখে এখন প্রস্তুত পরিকল্পনা বি, যেখানে দেশীয় এলএমডি ইঞ্জিনকে বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প—এএমসিএ (অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট)—এ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। সরকারি ও রক্ষার বাহিনীর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে, জিই অ্যারোস্পেসের (GE Aerospace) তৈরি জিই ইঞ্জিনের মূল্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় বিকল্প পরিকল্পনা সক্রিয় করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জিই ইঞ্জিনই এএমসিএর প্রধান শক্তি হিসেবে নির্ধারিত ছিল, তবে খরচ বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে প্রতি ইঞ্জিনে প্রায় ১.৫ কোটি টেকা অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে। এই ব্যয়বৃদ্ধি সামগ্রিক প্রকল্পের বাজেটকে প্রভাবিত করে, ফলে নয়া পরিকল্পনা—প্ল্যান বি—রূপে দেশীয় ইঞ্জিন প্রস্তুতকারী সংস্থা এলএমডি (LMDE) এর সঙ্গে চুক্তি করার দিকে ঝুঁকে দেখা যাচ্ছে।

এলএমডি ইতিমধ্যে হালকা ওজনের, জ্বালানি-সাশ্রয়ী টারবোফ্যান ইঞ্জিন বিকাশে কাজ করছে, যা একই ক্ষমতা ও পারফরম্যান্সে জিই ইঞ্জিনের তুলনায় কম খরচে সরবরাহ করা সম্ভব। রক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, এই ইঞ্জিনের পরীক্ষামূলক রোলআউট আগামী ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রকল্পের এই নতুন মোড়ে দেশীয় প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে, যা আয়াতের উপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বনির্ভরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তাছাড়া, বাজেটের সাশ্রয় এবং দ্রুত উৎপাদন সম্ভাবনা নিশ্চিত করে এএমসিএকে পরিকল্পিত সময়সূচি মেনে চালু করা সম্ভব হবে।

অবশেষে, সরকারি সূত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, জিই ইঞ্জিনের উচ্চ মূল্য বিবেচনা করে প্ল্যান বিই এখন মূল বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে, এবং দ্রুতই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জারি করা হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX